জেলা প্রতিনিধি
২১.০৯.২০১৮ইং
বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন সিলেট জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক মনসুর আহমদ সিকদার এক বিবৃতিতে বলেন, সর্বশ্রেষ্ঠ মানব জাতি হিসেবে আমরা বিশ্বে আর অশান্তি চাই না। শান্তিময় সুন্দর, নবজাতকের বাসযোগ্য বিশ্ব চাই। এই হোক আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকার। বাংলাদেশ একটি শান্তিপ্রিয় দেশ। এই দেশের সুনাগরিক হিসেবে বিশ্বের কাছে আমাদের দাবি : ‘যুদ্ধ চাই না, ধ্বংস চাই না, আমরা পৃথিবীতে শান্তির পতাকা ওড়াতে চাই।’
শান্তি আন্দোলনে বাংলাদেশ এখন নেতৃত্বের শীর্ষে অবস্থান করছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের শতাধিক শান্তিসেনা প্রাণের বিনিময়ে আত্মত্যাগের পরিচয় দিয়েছে। শান্তিরক্ষী মিশনে এরই মধ্যে বাংলাদেশ সর্বাধিক শান্তিসেনার দেশ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। এ সবই বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে।
আফ্রিকাসহ বিশ্বের দেশে দেশে বাংলাদেশের শান্তি সেনারা সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে-- যা দেশের জন্য গৌরবময়। প্রসঙ্গত, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সন্ত্রাস, সংঘাত ও দাঙ্গা দমন করে শান্তি স্থাপন, তথা সেসব দেশ পুনর্গঠনে এ দেশের শান্তিসেনারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এসব কারণে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের সেনা ও পুলিশ বাহিনী সাফল্যের শীর্ষে অবস্থান করছে। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, বাংলাদেশে তৈরি পোশাক শিল্প খাতের আয়ের পরেই শান্তিরক্ষী মিশন থেকে অর্জিত আয় এখন দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম খাত। এ দেশের সশস্ত্র বাহিনী এক-তৃতীয়াংশ খরচ নিজস্ব আয় থেকে বহন করছে বলে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের সামরিক বাজেট সর্বনিম্ন। অন্যদিকে এ দেশের পুলিশ বাহিনীও বাজেটের একাংশ নিজস্ব আয় থেকে বহন করছে। এ প্রসঙ্গে মানবতাবাদি এ নেতা জানান, ‘গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা না থাকলে পৃথিবীর কোনো দেশেই মানবাধিকার রক্ষা করা সম্ভব নয়। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের শান্তিসেনারা গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছে।’ তা ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার অনেক দেশে বাংলা ভাষা তাদের অন্যতম ভাষা হিসেবে স্থান লাভ করেছে-- যা আমাদের গর্বিত সৈনিক ভাইদের অবদানেই সম্ভব হয়েছে।
Author: Ahmed sufi
Related Posts
Some simillar article from this label, you might also like
- Blog Comments
- Facebook Comments
