Showing posts with label শিক্ষা. Show all posts
Showing posts with label শিক্ষা. Show all posts
বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথবারের মত  বহির্বিশ্বে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হলো কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।

বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথবারের মত বহির্বিশ্বে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হলো কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।

জেলা প্রতিনিধিঃ
20 NOVEMBER 2019


বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথবারের মত  বহির্বিশ্বে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হলো কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। সংযুক্ত আরব আমিরাত সফররত বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজ (১৯.১১.২০১৯ইং) সকালে শারজায় এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি উদ্ভোধন করেন।
 প্রবাসীদের দক্ষ কারিগর হিসেবে গড়ে তুলতে ও তাদের জীবনমান উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের বাইরে সরকারি ব্যবস্থাপনায় এটাই প্রথম কোনো প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।

এই প্রশিক্ষন কেন্দ্র থেকে কোন ধরনের ফি ছাড়াই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে উন্নত কারিগরি শিক্ষা ও ভাষা শিক্ষা গ্রহন করতে পারবেন প্রবাসীরা।

এই প্রশিক্ষনের মাধ্যমে নিজেকে গড়ে তুলবেন একজন দক্ষ ও যোগ্যতা সম্পন্ন একজন কারিগর। আর এই দক্ষতা ও যোগ্যতা তাদের সহায়তা করবে উন্নত চাকুরী পেতে। এই কারিগরি প্রশিক্ষন কেন্দ্র শ্রমিকদের বাড়তি আয়ে, তাদের জীবন মানোন্নয়নে ও দেশের রেমিট্যান্স খাতে  বিশাল ভূমিকা রাখবে।

মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয় আরো জানান, বাংলাদেশের অন্যতম সম্পদ হচ্ছেন প্রবাসীরা। তাদের আরো শক্তিশালী ও দক্ষ সম্পদ হিসেবে প্রতিষ্টিত করতে ক্রমান্বয়ে আরব বিশ্বের বাঙ্গালী অধ্যুষিত বড় শহরগুলোতে বিনা খরচে প্রশিক্ষণের জন্য আরো নতুন নতুন কেন্দ্র করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
সকলের সহযোগীতায় ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় খুব শীঘ্রই তা বাস্তবায়িত হবে।
লাইলাতুল কদরের নামাজ আদায়ের নিয়ম

লাইলাতুল কদরের নামাজ আদায়ের নিয়ম

লাইলাতুল কদরের নামাজ আদায়ের নিয়ম

জেলা প্রতিনিধিঃ আহমেদ সুফিয়ান      
01 JUN 2019

রমজান মাসের শেষ দশ দিনের যেকোনো একটি রাত হল শবে কদর। এ রাতের ফজিলত অন্য যেকোনো রাতের চেয়ে অনেক গুণ বেশি। বলা যেতে পারে- এ রাত হাজার রাত অপেক্ষা উত্তম। এ রাতে যত বেশি নফল নামাজ আদায় করবেন তত বেশি সওয়াব।
শবে কদরের রাতে যত বেশি পারেন নামাজ পড়ুন, আল কোরআন তেলাওয়াত করুন, জিকির ও দোয়া করুন। যেন আল্লাহ্‌ তা’য়ালা আপনার আগের গুনাহ মাফ করে দেন এবং রহমত ও বরকত দান করেন। এ রাত নামাজসহ বিভিন্ন ইবাদতের মধ্যদিয়ে কাঁটিয়ে দিন।
দুই রাকআত করে সালাম ফিরিয়ে ন্যূনতম আট রাকআত থেকে যত সম্ভব পড়া যেতে পারে। সূরা ফাতেহার সাথে আপনার জানা যেকোনো সূরা মিলিয়ে পড়লেই চলবে। কিছু ব্যতিক্রম নিয়মে সূরা ফাতেহার সঙ্গে ৩৩ বার সূরা আল কদর, ৩৩ বার ইখলাস পড়লেও অসুবিধার কারণ নেই।
“সুবাহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহ ওয়া লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার” এ দোয়া পাঠ করলে অধিক সওয়াব পাওয়া যাবে।
শবে কদরের নামাজের নিয়ত: নাওয়াইতু আন উছাল্লিয়া লিল্লাহি তা’য়ালা রাকাতায় সালাতিল লাইলাতিল কাদরি মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার
হাদিস শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ৪ রাকয়াত নামাজ কদরের রাতে আদায় করবে এবং উক্ত নামাজের প্রতি রাকয়াতে সূরা ফাতিহার পর ২১ বার করে সূরা ইখলাছ পাঠ করবে, আল্লাহ তা’য়ালা ওই ব্যক্তিকে সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুর ন্যায় নিষ্পাপ করে দেবেন এবং বেহেশতের মধ্যে এক মনোমুগ্ধকর মহল তৈরি করে দেবেন।’
অপর এক হাদিসে বর্ণিত রয়েছে, হযরত রাসূল (সা.) এরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি কদরের রজনীতে ৪ রাকয়াত নামাজ আদায় করবে এবং উহার প্রতি রাকয়াতে সূরা ফাতিহার পরে সূরা ক্বদর ও সূরা ইখলাছ তিনবার করে পাঠ করবে, নামাজ শেষে সিজদায় গিয়ে নিম্নের দোয়াটি কিছু সময় পাঠ করে আল্লাহর দরবারে যা-ই প্রার্থনা করবে তিনি তাই কবুল করবেন এবং তার প্রতি অসংখ্য রহমত বর্ষিত করবেন।’
দোয়াটি হলো: ‘সুবাহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহ ওয়া লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার’
জিকির ও দোয়: হাদিসে যে দোয়া ও জিকিরের অধিক ফজিলতের কথা বলা হয়েছে, সেগুলো থেকে কয়েকটি নির্বাচিত করে অর্থ বুঝে বারবার পড়া যেতে পারে। ইস্তেগফার ও দরুদ আল্লাহর কাছে খুবই প্রিয়। কমপক্ষে ১০০ বার ইস্তেগফার ও ১০০ বার দরুদ পড়া যেতে পারে
মুহাম্মদ (সাঃ) এর ১৪০০ বছর আগে বাণী আজ বিজ্ঞানীরা প্রমাণ পেয়েছে

মুহাম্মদ (সাঃ) এর ১৪০০ বছর আগে বাণী আজ বিজ্ঞানীরা প্রমাণ পেয়েছে

মুহাম্মদ (সাঃ) এর ১৪০০ বছর আগে বাণী আজ বিজ্ঞানীরা প্রমাণ পেয়েছে




জেলা প্রতিনিধিঃ আহমেদ সুফিয়ান 
01 JUN 2019

১৪০০ বছর আগে – মুহাম্মদ (সাঃ) এর ১৪০০ বছর- মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন, “পুরুষের প্যান্ট বা কাপড় পায়ের টাখনুর উপর পড়তে হবে। অন্যথায় তারা জাহান্নামে যাবে।” – (সহীহ বুখারী ৫৩৭১)
বিজ্ঞান বলে, পুরুষের টাখনুর ভিতর প্রচুর পরিমানে হরমোন থাকে এবং তার আলো বাতাসের প্রয়োজন হয়। তাই কেউ যদি তা খোলা না রেখে ঢেকে রাখে, তাহলে তার যৌনশক্তি কমে যাবে এবং বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হবে। মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন, “ভ্রু প্লাগকারীর উপর আল্লাহর লানত” – (সহীহ বুখারী ৫৫১৫)


বিজ্ঞান বলে, ভ্রু হলো চোখের সুরক্ষার জন্য। ভ্রুতে এমন কিছু লোম থাকে যদি তা কাটা পড়ে যায় তাহলে ভ্রুপ্লাগকারী পাগল হতে পারে, অথবা মৃত্যুবরণও করতে পারে। রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “নেশা জাতীয় দ্রব্য খাওয়া হারাম” – (সহীহ বুখারী ৬১২৪)
বিজ্ঞান বলে, ধুমপানের কারনে ফুস্ফুসের ক্যান্সার, ব্রংকাইটিস ও হৃদরোগ হয়ে মানুষ মারা যায়। ধুম্পান করলে ঠোট, দাতের মাড়ি, আঙ্গুল কালো হয়ে যায়। যৌনশক্তি ও ক্ষুধা কমে যায় এমনকি স্মৃতিশক্তি ও কমে যায়। রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “পুরুষের জন্য স্বর্ণ ব্যবহার হারাম।” – (মুসলিম ১৬৫৫)


বিজ্ঞান বলে, স্বর্ণ এমন একটি পদার্থ যা স্কিনের সাথে মিশে ব্লাডের মাধ্যমে ব্রেনে চলে যায়। আর তার পরিমান যদি ২.৩ হয় তাহলে মানুষ তার আগের স্মৃতি সব হারিয়ে ফেলবে। রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ঘুমানোর সময় আলো নিভিয়ে এবং ডান কাত হয়ে ঘুমাতে। – (সহীহ বুখারী ৩২৮০)

বিজ্ঞান বলে, ডান কাত হয়ে ঘুমালে হার্ট ভালো করে পাম্প করে। আর লাইট না নিভিয়ে ঘুমালে ব্রেনের এনাটমি রস শরীরে প্রবেশ করতে পারে না, যার ফলে ক্যান্সার হওয়ার খুব সম্ভবনা থাকে। রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “তোমরা গোফ ছেটে ফেল এবং দাড়ি রাখ।” – (সহীহ মুসলিম ৪৯৩ ও ৪৯৪)


বিজ্ঞান বলে, দাড়ি না রাখলে স্ক্রিন ক্যান্সার, ফুস্ফুসের ইনফেকশন এবং ৪০ এর আগে যৌবন হারানোর সম্ভবনা থাকে। আল্লাহ সুবনাহু তায়ালা বলেন, “আর ব্যভিচারের কাছেও যেয়োনা। নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং ধ্বংসের পথ।” – (বনি ইসরাঈল ৩২) নেশাগ্রস্থ শয়তানের কাজ (মাইদাহ ৯০)


বিজ্ঞান বলে, পর্নোগ্রাফি ও অশ্লীল সম্পর্ক সহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য নেশায় যদি কেউ জড়িয়ে পড়ে, তাহলে তার ব্রেনের ফরেন্টাল এরিয়া পরিচালনা করার ইনটেলেকচুয়াল সেলগুলো থরথর করে কাপতে থাকে এবং অস্থির হয়ে যায়। যার ফলে সে নেশাগ্রস্থ হয়ে মাতাল ও অসুস্থের মত জীবন পরিচালনা করে। এবং তা তাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়।



আল্লাহ বলেন, “আর যখন কোরআন পাঠ করা হয়, তখন তাতে কান লাগিয়ে রাখ এবং নিশ্চুপ থাক যাতে তোমাদের উপর রহমত হয়।” – (আরাফ ২০৪)
বিজ্ঞান বলে, কুরআনের সাউন্ড ওয়েব শরীরের সেলগুলোকে সক্রিয় করে, অসুস্থতা আরোগ্য করে বিশেষ করে হার্ট এবং ক্যান্সার রোগীদের। আর ব্রেনকে এমনভাবে চার্জ করে, ঠিক যেমন ভাবে ফিউজ হওয়া ব্যাটারীকে সচল করা হয়।
 নজমুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী ইনসানে কামিল হওয়ার জন্য আউলিয়া কেরামের সান্নিধ্যে আসা একান্ত প্রয়োজন:

নজমুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী ইনসানে কামিল হওয়ার জন্য আউলিয়া কেরামের সান্নিধ্যে আসা একান্ত প্রয়োজন:


17 FEBRUARY 2019 
জেলা প্রতিনিধি আবুল কাসেম চয়ন   


উপমহাদেশের প্রখ্যাত বুজুর্গ, উস্তাজুল মুহাদ্দিসীন ওয়াল মুফাসসিরীন, রইছউল ক্বোররা, শামসুল উলামা হযরত আল্লামা ফুলতলী ছাহেব ক্বিবলা রহ. এর ইছালে সাওয়াব মাহফিল গতকাল ১৬ ফেব্রুয়ারি শনিবার সিলেট নগরীর ঐতিহাসিক রেজিস্ট্রারী মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।
আল কুরআন মেমোরাইজিং সেন্টারের ছাত্র হাফিজ সুলতান আহমদের সুরা ইয়াসিন শরীফ তেলাওয়াত ও টিভি গেইট মোহাম্মদিয়া দাখিল মাদরাসার ছাত্র মোছাদ্দেক আহমদের নাতে রসুল পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হওয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আল্লামা নজমুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী আল্লামা ছাহেব কিবলা রহ. এর জীবদ্দশায় ইসলামের বহুমুখী খেদমতের স্মৃতিচারণ করে বলেন, তিনির একান্ত মেহনতের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষের ঈমান তাজা হয়েছে। তারা ইনসানে কামিল হওয়ার সুভাগ্য অর্জন করেছে।
সুতরাং ভালো মানুষ হওয়ার জন্য আউলিয়া কেরামদের সান্নিধ্যে আসা একান্ত প্রয়োজন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, আউলিয়ায়ে কেরামদের মেহনতের মাধ্যমে যুগে যুগে মুসলমানরা ইসলামের সঠিক আক্বিদার শিক্ষা পেয়েছেন। তাই সকল আলেম উলামাদেরকে ইসলামের সঠিক আক্বিদা তথা আহলে সুন্নাত আল জামাতের আক্বিদা কুরআন-হাদীসের আলোকে সাধারণ মুসলমানদের কাছে তুলে ধরতে হবে।
ঐতিহ্যবাহী সামাজিক সংগঠন লতিফিয়া ইসলামিক পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এবং মোল্লারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ শেখ মোঃ মকন মিয়া’র সভাপতিত্বে ও হাফিজ জিয়াউল ইসলাম মুহিত এর পরিচালনায় হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত মাহফিলে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ এর কেন্দ্রীয় সভাপতি আল্লামা হুসামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী, মাওলানা মারজান আহমদ চৌধুরী ফুলতলী, মাওলানা মুফতী বেলাল আহমদ, মাওলানা মুজিবুর রহমান ভাদেশ^রী, মাওলানা আব্দুল আহাদ জিহাদী, মাওলানা কারী গিয়াস উদ্দিন।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা ইমরান আহমদ চৌধুরী, বিশিষ্ট আইনজীবী মাওলানা আব্দুর রকিব, টিভি গেইট মাদরাসার সুপার মাওলানা সৈয়দ কুতবুল আলম, মোঃ আলমগীর হোসেন, মাহবুব আহমদ, কাজী বুরহান উদ্দিন, মাওলানা আব্দুল মুমিন, আলহাজ¦ শফিকুর রহমান, মোঃ আমিরুল ইসলাম এবং লতিফিয়া কারী সোসাইটি, লতিফিয়া ইমাম পরিষদ ও ইয়াকুবিয়া হিফজুল কুরআন বোর্ডে সম্মানিত নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি
শুরু হচ্ছে ভর্তিযুদ্ধ সিলেটের ১২ সরকারি বিদ্যালয়ে

শুরু হচ্ছে ভর্তিযুদ্ধ সিলেটের ১২ সরকারি বিদ্যালয়ে


জেলা প্রতিনিধি
04 NOVEMBER 2018 

শুরু হচ্ছে ভর্তিযুদ্ধ সিলেটের ১২ সরকারি বিদ্যালয়ে



নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেট বিভাগীয় শহর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অবস্থিত সব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০১৯ শিক্ষাবর্ষে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত অনলাইন ও এসএমএসের মাধ্যমে ভর্তির আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে।

অবেদন ফি বাবদ ১৭০ টাকা টেলিটকের এসএমএসের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।

 সিলেট জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, সিলেট জেলা শহরের সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, অগ্রগামী সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় ও লাক্কতুড়াস্থ সিলেট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়সহ জেলার মোট ১২টি সরকারী মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়ে একযুগে এ ভর্তি কার্যক্রম চলবে। ভর্তি পরীক্ষার তারিখ এবং অন্য তথ্য জেলা ও উপজেলা ভর্তি কমিটি বা প্রধান শিক্ষকের নোটিশ বোর্ডে পাওয়া যাবে। ২০ ডিসেম্বর প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির লটারি অনুষ্ঠিত হবে।


রোববার রাত ১২টা থেকে ভর্তির আবেদন শুরু হয়। আবেদন গ্রহণ করা হবে আগামী ১৩ ডিসেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত।

মাউশির ভর্তি সংক্রান্ত নির্দেশনায় বলা হয়, অনলাইনে আবদনের জন্য http://gsa.teletalk.com.bd এবং এসএমএসে আবেদনের জন্য টেলিটকের প্রি-পেইড মোবাইল ফোন থেকে আবেদন করতে হবে।

ভর্তির নির্দেশনা: http://old.dshe.gov.bd/secondary/7c99d5a722bc96f36a4fc0a927f6a6b7.pdf


বারহালে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন

বারহালে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন

জেলা প্রতিনিধি আহমেদ সুফিয়ান
23 NOVEMBER 2018


বারহালে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন
সাইফুর রহমান,বারহাল থেকেঃ
জকিগঞ্জ উপজেলার বারহাল আনজুমানে আল ইসলাহ ও আনজুমানে তালামিযে ইসালামিয়ার উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন উপলক্ষে মোবারক রেলি বের করা হয়।



২৩ নভেম্বর রোজ শুক্রবার সকাল দশটার সময় বারহাল হাটুবিল গাউছিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে মোবারক রেলি বের করা হয়।
বারহাল গ্রামীন ব্যাংকের সম্মুখের রাস্তা হয়ে শাহগলী বাজার দিয়ে হযরত সৈয়দ জালাল (রঃ) এর মাজার জিয়ারত করা হয়।


পরে শাহগলী আদর্শ শিশু বিদ্যানিকেতনের সম্মুখের রাস্তা হয়ে শাহগলী বাসস্ট্যান্ড দিয়ে বারহাল হাটুবিল মাদ্রাসায় গিয়ে মোবারক রেলি শেষ করা হয়।
রেলির শুরুতে বারহাল ইউনিয়ন তালামিযের সভাপতি তারেক আহমদের পরিচালনায় ও হাটুবিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা ফারুক আহমদের মোনাজাতের মাধ্যমে মোবারক রেলি বের করা হয়।


রেলিতে উপস্থিত ছিলেন হাটুবিল মাদ্রাসার সহ সুপার মাওলানা আব্দুল কাদির জিহাদি, সহকারী শিক্ষক মাওলানা আব্দুন নুর,মাওলানা ছমর উদ্দিন,মাওলানা হাবিবুর রহমান,বারহাল ডিগ্রি কলেজের ইংরেজি প্রভাষক আহমেদ হোসাইন,খিলগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ময়নুল হক,শাহগলী আদর্শ শিশু বিদ্যানিকেতনের প্রিন্সিপাল সাইফুর রহমান,হাটুবিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ফারুক আহমদ,পুরকায়স্থ পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শামীম আহমদ,জকিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসের কর্মকর্তা মাওলানা নাজিম উদ্দিন,হাটুবিল মাদ্রাসার সাবেক ছাত্র বদরুল ইসলাম,বারহাল তালামিযের সাবেক সভাপতি মোঃ আছাদ আহমদ,বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ইয়াছির আরাফাত হানিফ,বিশিষ্ট মুরব্বি ফারুক আহমদ চৌধুরী,বারহাল দারুল কিরাত ও তাফসীরুল কোরআন পরিষদের সহসভাপতি সাবেল আহমদ,সাধারণ সম্পাদক শিবলু আহমদ,সহ সাধারণ সম্পাদক সাদেক আহমদ লখাই সহ বারহাল ইউনিয়ন আল ইসলাহ,তালামিযে ইসলামিয়া ও এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিগন উপস্থিত ছিলেন।
শাহগলী আদর্শ শিশু বিদ্যানিকেতনের ভর্তির কার্যক্রম শুরু

শাহগলী আদর্শ শিশু বিদ্যানিকেতনের ভর্তির কার্যক্রম শুরু

জেলা প্রতিনিধি: আহমেদ সুফিয়ান 
02 NOVEMBER 2018


শাহগলী আদর্শ শিশু বিদ্যানিকেতনের ভর্তির কার্যক্রম শুরু........

বারহালের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শাহগলী আদর্শ শিশু বিদ্যানিকেতন এ স্ট্যান্ডার্ড প্লে ও স্ট্যান্ডার্ড নার্সারিতে ভর্তি কার্যক্রম চলিতেছে।
প্রতিবছরের ন্যায় ২০১৭ সালে সমাপনি পরীক্ষায় A+ ৬ টি সহ ট্যালেন্টপুল বৃত্তি ৪ টি ও সাধারণ বৃত্তি ২টি সহ শতভাগ উত্তীর্ণ হয়।
>>একনজরে শাহগলী আদর্শ শিশু বিদ্যানিকেতন<<
বারহাল,জকিগঞ্জ,সিলেট।
প্রতিষ্ঠাতাঃ আজাদ উদ্দিন
সহকারী অধ্যাপক কানাইঘাট সরকারি কলেজ।

প্রিন্সিপালঃসাইফুর রহমান
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃকামিল (এম.এ)
ইসলামি ইউনিভার্সিটি।

সহকারী শিক্ষক বৃন্দঃ
১।শারমিন আক্তার
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃবি.এ
(কানাইঘাট ডিগ্রি কলেজ),
 মাস্টার্স অধ্যয়নরত (মদনমোহন সরকারি কলেজ)।

২।কনিকা হক লাভলী
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃবি.এস.এস (অনার্স)
দক্ষিন সুরমা ডিগ্রি কলেজ,
মাস্টার্স অধ্যয়নরত (এম সি কলেজ)।

৩।জাহেদ আহমদ
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃবি.এস.সি(অনার্স)
এম.সি কলেজ,
মাস্টার্স অধ্যয়নরত (এম সি কলেজ)।

৪।খালেদা আক্তার প্রমি
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃবি.বি.এস
বিয়ানীবাজার সরকারী কলেজ,
মাস্টার্স অধ্যয়নরত (এম সি কলেজ)।

৫।মুরশেদুল হক
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃবি.এ
এম.সি কলেজ,
 মাস্টার্স অধ্যয়নরত (এম সি কলেজ)।

৬।সোনিয়া জাহান খাঁন
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃবি.এ
এম.সি কলেজ,
 মাস্টার্স অধ্যয়নরত (এম সি কলেজ)।

৭।সুমিত পাল
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ এ.এ.বি.পি.এস
(ডিপ্লোমা ইন বিজনেস ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ)
লন্ডন স্কুল অব টেকনোলজি।

সন্তান আপনাদের,তারা সম্পদ এদেশের,তাদের গড়ে তুলার দায়িত্ব আমাদের।
শাহগলী আদর্শ শিশু বিদ্যানিকেতনের সম্বর্ধনা অনুষ্ঠান বুধবার

শাহগলী আদর্শ শিশু বিদ্যানিকেতনের সম্বর্ধনা অনুষ্ঠান বুধবার


সাইফুর রহমান,বারহাল থেকে।
 23 SEPTEMBER 2018

জকিগঞ্জ উপজেলার বারহাল ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শাহগলী আদর্শ শিশু বিদ্যানিকেতনের উদ্যোগে ২৬শে সেপ্টেম্বর রোজ বুধবার বারহালের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্বর্ধনা,সমাপনী পরীক্ষায় জিপিএ-৫ ও বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সম্বর্ধনা এবং বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হইবে।


এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন,জকিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র,জকিগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব হাজী খলিল উদ্দিন।


প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত থাকবেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ২০ নং ওয়ার্ডের  চারবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর,সিলেট মহানগর আওয়ামীলীগ এর শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক জনাব আজাদুর রহমান আজাদ।


বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন সিলেট জেলা পরিষদের মহিলা সদস্য,জকিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সাজনা সুলতানা হক চৌধুরী,বারহাল ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ জনাব সফিকুল ইসলাম,বারহাল ইউ/পি চেয়ারম্যান জনাব মোস্তাক আহমদ চৌধুরী,কানাইঘাট সরকারি কলেজের প্রভাষক জনাব আজাদ উদ্দিন,বারহাল এহিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়েদ আহমদ,মৌলভী ছাইর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শাব্বির আহমদ,বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন সিলেট জেলার সহসভাপতি মাজেদা রওশন শ্যামলী।


সভাপতিত্ব করবেন শাহগলী আদর্শ শিশু বিদ্যানিকেতনের প্রিন্সিপাল সাইফুর রহমান।
উক্ত অনুষ্ঠানে সবাইকে আমন্ত্রন জানিয়েছেন প্রিন্সিপাল সাইফুর রহমান।
মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপে, বাংলাদেশে বুধবার ১লা মুহররম

মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপে, বাংলাদেশে বুধবার ১লা মুহররম

(১১ সেপ্টেম্বর) মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও আমেরিকার ১লা মুহররম। ১৪৪০ হিজরি সনের প্রথম দিন। বাংলাদেশে বুধবার থেকে পবিত্র মুহররম মাস শুরু হবে। সে হিসেবে মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও আমেরিকায় ২০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার এবং বাংলাদেশে ২১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার পালিত হবে পবিত্র আশুরা।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, “রামাদ্বানের রোযার পর মুহাররম মাসের রোযা সর্বোত্তম।” (মুসলিম-১১৬৩)

“মুহাররম হলো আল্লাহ তা‘আলার (নিকট একটি মর্যাদাবান) মাস। এই মাসে এমন একটি দিন আছে, যাতে তিনি অতীতে একটি সম্প্রদায়কে ক্ষমা করেছেন এবং ভবিষ্যতেও অপরাপর সম্প্রদায়কে ক্ষমা করবেন।”-(তিরমিযী-৭৪১)

“একদা রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ইয়াহুদীদের কতিপয় এমন লোকের পাশ দিয়ে অতিক্রম করেন, যারা আশুরার দিনে রোযা রেখেছিল। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন “এটা কিসের রোযা?”
উত্তরে তারা বলল, “এই দিনে আল্লাহ তা‘আলা হযরত মূসা (আঃ) ও বনী ইসরাঈলকে ডুবে যাওয়া থেকে উদ্ধার করেছিলেন। (অন্য বর্ণনায় আছে ফিরআউনের নির্যাতন থেকে মুক্ত করেছিলেন) এবং ফিরআউনকে দল-বল সহ নিমজ্জিত করেছিলেন। আর এই দিনেই হযরত নূহ (আঃ)- এর নৌকা জূদী পর্বতে স্হির হয়েছিল। ফলে এই দিনে হযরত নূহ (আঃ) ও হযরত মূসা (আঃ) কৃতজ্ঞতাস্বরূপ রোযা রেখেছিলেন। তাই আমরাও এই দিনে রোযা রাখি।”
তখন রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বললেন, “মূসা (আঃ)-এর অনুসরণের ব্যাপারে এবং এই দিনে রোযা রাখার ব্যাপারে আমি তোমাদের চেয়ে বেশী হকদার।”
অতঃপর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) সেদিন (আশুরার দিন) রোযা রাখেন এবং সাহাবাদেরকেও রোযা রাখতে আদেশ করেন।” -(বুখারী-২০০৪, মুসলিম-১১৩০)

“তোমরা আশুরার দিনে রোযা রাখ। তবে এ ক্ষেত্রে ইয়াহুদীদের থেকে ভিন্নতা অবলম্বন করতঃ তোমরা আশুরার পূর্বে অথবা পরের একদিন সহ রোযা রাখবে।”-(মুসনাদে আহমাদ-২৪১)

“আমি আশাবাদী যে, আশুরার দিনের রোযার উসীলায় আল্লাহ তা‘আলা অতীতের এক বৎসরের গুনাহ মাফ করে দিবেন।” -(তিরমিযী-৭৫১)
সু-সংবাদ নিয়ে আসছে ৪০তম বিসিএস

সু-সংবাদ নিয়ে আসছে ৪০তম বিসিএস

প্রায় আড়াই হাজার বিসিএস ক্যাডার নিয়োগ দেয়া হবে ৪০তম বিসিএসে । আগামী সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে এ পরীক্ষার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে পিএসসি। সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। পিএসসি সূত্র আরও জানায়, শিক্ষকদের জন্য ৪১তম বিশেষ বিসিএস পরীক্ষা নেয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ৪০তম বিসিএসে প্রায় আড়াই হাজার জনবল নিয়োগের লক্ষ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
এর আগে ৩৭তম বিসিএসে ১ হাজার ২২৬, ৩৮তম বিসিএসে ২ হাজার ২৪ এবং ৩৯তম বিশেষ বিসিএসে প্রায় ৫ হাজারের মতো জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে ৪০তম বিসিএসের জন্য পিএসসিতে জনবলের চাহিদাপত্র পাঠায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এতে বিভিন্ন ক্যাডারে প্রায় আড়াই হাজার পদে নিয়োগের চাহিদা পাঠানো হয়। সেখান থেকে দেখা গেছে, প্রশাসন ক্যাডারে সহকারী কমিশনার পদে ২২৮টি, পুলিশ ক্যাডারে সহকারী পুলিশ সুপার ৭০টি, পররাষ্ট্র ক্যাডারে সহকারী সচিব ২৫টি, আনসার ক্যাডারে ১২, মৎস্য ক্যাডারে ৩৪৪, নিরীক্ষা ও হিসাব ক্যাডারে সহকারী মহাহিসাবরক্ষক ১৫ এবং শিক্ষা ক্যাডারে বিভিন্ন বিষয়ের প্রভাষক পদে প্রায় ১ হাজার ক্যাডার নিয়োগের চাহিদার কথা বলা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আ ই ম নেছার উদ্দিন বলেন, আমরা ৪০তম বিসিএসের চাহিদা পেয়েছি। আগামী সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ৪০তম বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হতে পারে। পাশাপাশি সরকারি কলেজে শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগের জন্য ৪১তম বিসিএস পরীক্ষার আয়োজন করা হবে বলেও জানান তিনি।
স্যার, আমি রংপুর কারমাইকেলের স্টুডেন্ট

স্যার, আমি রংপুর কারমাইকেলের স্টুডেন্ট

এই খালি, যাবা?
কোথায় যাবেন, স্যার?
পান্থপথ বসুন্ধরা সিটির পেছনে, পূর্ণিমা সিনেমা হলের গলি। আবাহনী মাঠের বাম পাশ দিয়ে যাবা।
-আপনি চিনায়ে নিলে যাব। আমি ভালমতো চিনি না। এই এলাকায় নতুন আসছি।
নতুন হইলে তো সমস্যা।
-কোন সমস্যা নাই স্যার। খালি রাস্তাটা চিনায়ে দিবেন।
সেটা না হয় দিলাম। কিন্তু ভাড়া কত দেব?
আপনি যান না, স্যার? যা ভাড়া তা-ই দিয়েন। আমাকে না ঠকাইলেই হইল।
আমি তো রেগুলার ৬৫-৭০ টাকা করে যাই।
আচ্ছা, ওঠেন স্যার। কোন সমস্যা নাই।
সংলাপের স্থান রায়েরবাজার হাশেম খান রোড। সময় শুক্রবার বিকাল চারটা।
বাপ-বেটা চড়ে বসলাম। তরুণ রিক্সাওয়ালাও প্যাডেলে দুই পায়ের ওঠা-নামা শুরু করল। সাধারণত রিক্সাওয়ালাদের পরনে লুঙ্গি থাকলেও এই তরুণের পরনে নীল জিন্স প্যান্ট আর ভি-গলার সবুজ হাফ হাতা গেঞ্জি। ব্যাপারটা তবু কেন যেন গুরুত্ব দিলাম না। ইয়াং ছেলে, জিন্স পরতেই পারে। পেছন থেকে প্রয়োজনীয় স্থানে ‘ডানে যাও’, ‘এইবার বামে যাও’ এইসব নির্দেশনা দিতে থাকলাম। মুক্তি সিনেমা হলের সামনের মধুবাজারের গলি দিয়ে কিছু সময়ের মধ্যেই আবাহনী মাঠের বাঁ পাশে এসে ছেলেকে নামিয়ে দিলাম। (ক্রিকেট প্র্যাকটিসের জন্য বেশিরভাগ দিনই অফিসে আসার পথে এভাবেই ছেলেকে নামিয়ে দিয়ে আসি। সন্ধ্যার আগে আগে ওর মা এসে নিয়ে যায়।)
রিক্সা আবার চলতে শুরু করল। মিনিট বিশেকের মধ্যে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের পেছন দিকের রাস্তা হয়ে পান্থপথ দিয়ে গন্তব্যে এসে পৌঁছালাম। এবার ভাড়া মিটানোর পালা। মানিব্যাগ থেকে বের করে ৭০ টাকা দিলাম।
‘স্লামালিকুম স্যার, ভাল থাকবেন’Ñটাকাটা হাতে নিয়ে কপালের ঘাম মুছতে মুছতে জবাব দিল রিকশাচালক তরুণ। টাকা পেয়ে সালাম দিয়ে কোন রিকশাওয়ালার বিদায় নেবার অভিজ্ঞতা অতীতে কখনো হয়েছে বলে মনে পড়ছে না। সঙ্গত কারণেই কিছুটা ধাক্কা খেলাম।
এই, তুমি কি পড়াশোনা কর নাকি?’মাথা নেড়ে সালামের জবাব দিয়ে জিজ্ঞাস করলাম ওকে।
জি স্যার, আমি রংপুর কারমাইকেলের স্টুডেন্ট।
তুমি কারমাইকেল কলেজের ছাত্র! বিস্ময়ে চোখ দুটো কপালে ওঠার যোগাড়।
জি স্যার।
তুমি কারমাইকেলে পড়!? সন্দেহ দূর করতে দ্বিতীয় দফা একই প্রশ্ন করলাম।
জি স্যার, আমি অনার্স থার্ড ইয়ারে পড়ি। যথেষ্ট আস্থার সঙ্গে জবাব দিল ছেলেটি।
অনার্স থার্ড ইয়ার? কোন সাবজেক্ট?
পলিটিক্যাল সাইন্স।
নাম কি তোমার?
মোমিনুল।
ইন্টারমেডিয়েট পাশ করেছ কোন কলেজ থেকে?
বিরামপুর ডিগ্রি কলেজ।
দিনাজপুরের বিরামপুর?
জি স্যার।
এভাবে আরো তিন-চার মিনিট কথা চলল। মোমিনুল জানাল সে পরিবারের বড় ছেলে। তারা তিন ভাই। মেজো ভাই বিরামপুর কলেজে ইন্টারমিডিয়েটে, ছোটজন স্থানীয় হাইস্কুলে পড়ছে। বিরামপুর কলেজের কাছেই তাদের বাড়ি। বাবা এলাকায় ভ্যান চালান। তাতে সংসার চলে না। নিজের ও ছোট ভাইদের পড়াশোনার খরচ যোগাতে তার ঢাকায় আসা। এলাকার পরিচিত আরও কয়েকজন ঢাকায় রিক্সা চালান। তাদের মাধ্যমেই সে এ কাজ জুটিয়েছে।
এর আগেও দুইবার খ-কালীন রিক্সা চালানোর কাজে সে ঢাকায় এসেছিল। মোমিনুল বলল তার নিয়মিত ক্লাস করা হয়ে ওঠে না। সামনে ফরম ফিলাপের জন্য বাড়তি টাকা লাগবে। আপাতত কলেজেও ক্লাস তেমন নেই। সে কারণেই এ সময়টা রিকশা চালানোর জন্য বেছে নিয়েছে সে।
আলাপে আরো জানা গেল, কয়েক বছর আগে বন্যায় মোমিনুলদের বাড়িঘরের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বন্যা তাদের একেবারে পঙ্গু করে দিয়ে গেছে। চরম দারিদ্রের কারণে তার দুইবার ব্রেক অফ স্টাডিজও হয়েছে।
এই খালি, সোবহানবাগ যাইবা?
আপনি চিনায়ে নিলে যাব।
ঠিক আছে, রিক্সা ঘুরাও।
আসি স্যার। দোয়া করবেন।
সোবহানবাগের যাত্রী নিয়ে উল্টো ছুটতে শুরু করল মোমিনুল।
অনেকটা ভ্যাবাচেকা খাওয়ার মতো ওই জায়গাতেই দাঁড়িয়ে থাকলাম, যেখানে দাঁড়িয়ে কথা হচ্ছিল মোমিনুলের সঙ্গে। রাজ্যের ভাবনা এসে মাথায় ঘুরপাক খেতে শুরু করল। অনার্স থার্ড ইয়ারে পড়ে একটা ছেলে ফরম ফিলাপের টাকা সংগ্রহের জন্য ঢাকায় এসে রিক্সা চালাচ্ছে! অথচ এই রাজধানীতেই মৌজ-মাস্তি করে প্রতিদিন বিভিন্ন হোটেল-রেঁস্তোরায় কোটি কোটি টাকা ওড়াচ্ছে ধনীর দুলাল-দুলালীরা। এদের একমাসের অপচয় করা টাকায় এ রকম কত শত মোমিনুলের পড়ালেখা সুসম্পন্ন হতো, সে কথা কে ভাববে! মুক্তবাজার অর্থনীতি বলে কথা। কার জন্য কার এত ঠেকা পড়েছে!
দ্রুতই দৃষ্টির আড়ালে চলে গেল মোমিনুলের রিক্সা। নিজেও এগোতে থাকলাম অফিসের দিকে। রবিবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, রায়েরবাজার, ঢাকা।
সুত্র.... ফেসবুক থেকে
সরকারি প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

সরকারি প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান বাদে অন্য ৬১ জেলার প্রার্থীরা শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বসতে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
সাধারণ প্রার্থীদের বয়স ২০১৮ সালের ৩০ অগাস্ট পর্যন্ত ৩০ বছর এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রবিবন্ধীরা ৩২ বছর বয়স পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।
http://dpe.teletalk.com.bd বা www.dpe.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণ করে টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে এসএমএস করে ১৬৭ টাকা ফি জমা দিতে হবে। ১ থেকে ৩০ অগাস্ট পর্যন্ত ফি জমা দেওয়া যাবে।
আবেদনের প্রাথমিক যোগ্যতা হিসেবে পুরুষ প্রার্থীদের কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় বিভাগ বা শ্রেণি বা সমমানের জিপিএসহ স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রী থাকতে হবে।
আর নারী প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় নূন্যতম দ্বিতীয় বিভাগ বা সমমানের জিপিএসহ উত্তীর্ণ অথবা স্নাতক বা সমমানের পরীক্ষায় পাস।
জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ........

জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ........

পহেলা নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা। চলবে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার আন্তঃশিক্ষাবোর্ড থেকে এ পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।
সময়সূচিতে দেখা গেছে, আগামী নভেম্বর শুরু হবে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা। এদিন বাংলা ও বাংলা ১ম পত্র (অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য), ৩ নভেম্বর বাংলা-২ পত্র (অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্যও প্রযোজ্য), ৪ নভেম্বর ইংরেজি ও ইংরেজি ১ম পত্র (অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য), ৫ নভেম্বর ইংরেজি ২য় পত্র (অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য), ৮ নভেম্বর গণিত, ১০ নভেম্বর বিজ্ঞান, ১১ নভেম্বর কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা (অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য), ১২ নভেম্বর বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ১৩ নভেম্বর কৃষি শিক্ষা, গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, আরবি সংস্কৃত, পালি ও শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য (অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য) ১৪ নভেম্বর ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা, হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, বৌদ্ধধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা ও খ্রিস্টধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা এবং ১৫ নভেম্বর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ও চারু ও কারুকলা (অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
পরীক্ষার রুটিনে আরও বলা হয়েছে, সব পরীক্ষার্থী পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে প্রবেশ করতে হবে। কোন পরীক্ষার্থী সঙ্গে মোবাইল ফোন আনতে পারবে না, শুধুমাত্র কেন্দ্র সচিব ব্যতীত অন্য কেউ পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। সৃজনশীল ও বহুনির্বাচনী পরীক্ষায় একই উত্তরপত্র ব্যবহার করতে হবে। পরীক্ষার্থীরা হলে সাধারণ ও সাইন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক ছাত্রের গুগলে চাকরি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক ছাত্রের গুগলে চাকরি

গুগলে চাকরি পেয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও এক মেধাবী ছাত্র। তিনি কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪১তম আবর্তনের ছাত্র। তার নাম রিহাত জামান নিলয়। এনিয়ে গত ৫ মাসে জাবির ৩ শিক্ষার্থী Google এ চাকরি করার সুযোগ পেয়েছেন।
জানা গেছে, ছোটবেলা থেকেই নিলয়ের কম্পিউটারের প্রতি ঝোঁক ছিল। বন্ধু-বান্ধবরা কোন সমস্যায় পড়লে তার কাছে ছুটে আসতেন। তিনি মুহূর্তেই সমস্যা সমাধান করে দিতেন। বন্ধুরাও তাকে স্বপ্ন দেখাতো একদিন নিলয় গুগলে চাকরি করবে। সেই স্বপ্ন সফল হয়েছে নিলয়ের। চাকরি পেয়েছেন গুগলে।
অতিরিক্ত ঘাম যেসব রোগের লক্ষণ

অতিরিক্ত ঘাম যেসব রোগের লক্ষণ

যে পরিবেশ সবাই দিব্যি স্বস্তিতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, সেখানেই দুই-একজনকে একটু পর পর ঘাম মুছতে হচ্ছে। দ্বিতীয় দলের মানুষগুলো আসলে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ঘামেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যারা অতিরিক্ত ঘামেন তাদের শরীরের বিশেষ অবস্থার লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে এর মাধ্যমে। তা ধারণার চেয়েও অনেক বেশি মারাত্মক হতে পারে। এক নজরে দেখে নিন-
১) ডায়াবেটিস কিংবা লো ব্লাড সুগার: টাইপ ১ এবং ২ উভয় ধরনের ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে ঘামের মাধ্যমে। আবার গর্ভাবস্থা এবং অন্য বিশেষ অবস্থার কারণে ডায়াবেটিস দেখা দিতে পারে, যাকে বলে গ্যাস্টেশনাল ডায়াবেটিস। ইনসুলিন উৎপাদনে সমস্যা এবং রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ঝামেলা হলেও এমনটা দেখা যায়। আবার অনেকের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়েও অনেক কম থাকে। এতেও দেহে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত ঘামা রক্তে নিম্নমাত্রার গ্লুকোজের লক্ষণ প্রকাশ করতে পারে।
২) সংক্রমণ: ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ সবসময় প্রাণঘাতী হয় না। হলেও অ্যান্টিবায়োটিক আমাদের নিরাময় করে। সংক্রমণের ধরন অনুযায়ী কিছু মানুষ আবার জ্বর, শীত লাগা, অতিরিক্ত ঘাম এবং আরো অনেক কিছুতে আক্রান্ত হতে পারেন। মারাত্মক সংক্রমণে সেপসিস হতে পারে। সময়মতো শুশ্রূষা না হলে তা সেপটিক শকে চলে যেতে পারে। কাজেই বেশি ঘামলে সংক্রমণের চিন্তা মাথায় রেখে চিকিৎসকের কাছে যান।
৩) হার্ট অ্যাটাক: যদি কেউ হঠাৎ করেই স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ঘামতে থাকেন তো তার কার্ডিয়াক সমস্যার কথা বিবেচনায় আনতে হবে। হঠাৎ করে অস্বাভাবিক ঘাম হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ হিসেবে প্রকাশ পেতে পারে। কাজেই এ অবস্থাকে অবহেলা না করে জরুরিভিত্তিতে বিশেষজ্ঞের দ্বারস্থ হতে হবে। বিশেষ করে বয়স ৪৫ এর বেশি হলে কারণ ছাড়াই অতিরিক্ত ঘাম হার্ট অ্যাটাকের সমূহ সম্ভাবনা প্রকাশ করে। পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপ, ধূমপানের অভ্যাস কিংবা পরিবারে হৃদরোগের ইতিহাস থাকলে তো কথাই নেই। কোনো শারীরিক অসুবিধাতে সবাই ঘামতে পারেন। কিন্তু তা স্বাভাবিক হতে হবে। নইলে চিন্তার বিষয়।
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আবারো বিশাল সুখবর......

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আবারো বিশাল সুখবর......

সরকারি চাকরিজীবীরা শিগগিরই বড় দুটি সুবিধা পেতে যাচ্ছেন। জাতীয় নির্বাচনের আগেই তাদের গৃহ নির্মাণ ঋণ এবং বর্ধিত বেতন দিতে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গৃহ নির্মাণ ঋণ নীতিমালার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
অনুমোদনের পর এটি কার্যকর করা হবে। অপরদিকে, বেতন বৃদ্ধিসংক্রান্ত কমিটির প্রতিবেদন ইতিমধ্যে অর্থমন্ত্রীর কাছে জমা দেয়া হয়েছে। মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয় করে বেতন বাড়ানো হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, বর্ধিত বেতন সমন্বয় করতে বাজেটে অতিরিক্ত পাঁচ হাজার ৩০২ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা খাতে মোট ৫৮ হাজার ৫১২ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ খাতে গত অর্থবছরের বাজেটে বরাদ্দ ছিল ৫৩ হাজার ২১০ কোটি টাকা। এছাড়া গৃহ নির্মাণ ঋণ বাস্তবায়নে সুদ পরিশোধ (ভর্তুকি) খাতে ১৯শ’ কোটি টাকা বেশি বরাদ্দ রেখেছে সরকার।
চলতি বাজেটে মোট ভর্তুকির অন্যান্য খাতে চার হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিল দুই হাজার ৬০০ কোটি টাকা। কারণ প্রস্তাবিত গৃহ নির্মাণ ঋণ নীতিমালা অনুযায়ী সুদ হার হবে ১০ শতাংশ। এরমধ্যে ঋণ গ্রহীতার পাঁচ শতাংশ সুদ পরিশোধ করবে সরকার।
এই সুদ সরকার ভর্তুকি হিসেবে দেবে। অবশিষ্ট পাঁচ শতাংশ সুদ ঋণ গ্রহীতাকে পরিশোধ করতে হবে। এ কারণে এ বছর ভর্তুকি খাতে বরাদ্দ বেশি রাখা হয়েছে।
জানতে চাইলে অর্থ প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান যুগান্তরকে বলেন, সরকারি চাকরিজীবীরা প্রতি বছর সাধারণ নিয়মে পাঁচ শতাংশ হারে ইনক্রিমেন্ট পাচ্ছেন। এর বাইরে মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয় করে বেতন বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এটি নিয়ে কাজ চলছে।
তিনি আরও বলেন, চাকরিজীবীদের স্বল্প সুদে গৃহ নির্মাণ ঋণ দেয়ার ঘোষণা বাজেটে দেয়া হয়েছে। এটিও খুব তাড়াতাড়ি পাবেন তারা।
জানা গেছে, চাকরিজীবীদের বেতন বাড়াতে পে-কমিশন গঠন না করে সরকার প্রতি বছর মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয় করে বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এজন্য সরকার একটি কমিটি গঠন করে দেয়। এই মুহূর্তে বেতন কি পরিমাণ বাড়ানো যায় সে ব্যাপারে যৌক্তিকতা তুলে ধরে কমিটি ইতিমধ্যে অর্থমন্ত্রীকে প্রতিবেদন দিয়েছে। পাঁচ শতাংশ মূল্যস্ফীতির ভিত্তি ধরে কমিটি হিসাব করেছে।
গড় মূল্যস্ফীতি পাঁচ শতাংশ ছাড়ালে বেতন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাড়বে। মূল্যস্ফীতি যদি আরও বাড়ে অর্থাৎ ৬ শতাংশ বা ৭ শতাংশ হয়, তখন কত শতাংশ বেতন বাড়বে তাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে কমিটি। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৭৮ শতাংশ হয়েছে। তাই এ প্রতিবেদনে কমিটি বার্ষিক পাঁচ শতাংশ ইনক্রিমেন্টের সুপারিশ করেছে। প্রতি পাঁচ বছর পর পর পে-কমিশন গঠন না করে এর বিকল্প ভাবার সুপারিশ করেছে কমিটি।
বিকল্প হিসেবে অর্থ মন্ত্রণালয়ে একটি স্থায়ী সেল গঠন করতে পারে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, বেতন বাড়ানো কমিটির প্রস্তাব পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে। চাকরিজীবীরা যাতে সন্তুষ্ট হন সেই পদক্ষেপ নেয়া হবে। এ কারণে প্রস্তাবটি যোজন-বিয়োজন করে অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।
গৃহ নির্মাণ ঋণ দেয়ার নীতিমালা তৈরি করে তা অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সম্প্রতি পাঠিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, গৃহ নির্মাণ ঋণ নীতিমালা নীতিগত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে পাঠানোর কথা ছিল। কিন্তু এখন সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানোয় মন্ত্রিসভার বৈঠকের আর প্রয়োজন হবে না।
ঋণ নীতিমালায় যা আছে : গৃহ নির্মাণ ঋণের সিলিং সর্বনিু ২৫ লাখ ও সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ২০ বছর মেয়াদি এই ঋণে বাড়ি নির্মাণ বা ফ্ল্যাট কেনা যাবে। চাকরি স্থায়ী হওয়ার পাঁচ বছর পর থেকে এই ঋণ পাওয়া যাবে। সর্বোচ্চ ৫৮ বছর বয়স পর্যন্ত তা গ্রহণ করা যাবে।
এককভাবে বা গ্রুপভিত্তিক ঋণ নেয়া যাবে। জাতীয় বেতন স্কেলের ১৮ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা ঢাকাসহ সব সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় সদরে ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাবেন। পঞ্চম থেকে প্রথম গ্রেডভুক্ত চাকরিজীবীরা ঢাকাসহ সব সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় সদরে ৭৫ লাখ টাকা এবং জেলা সদরে ৬০ লাখ টাকা এবং অন্যসব এলাকায় ৫০ লাখ টাকা ঋণ সুবিধা পাবেন।
নবম থেকে ষষ্ঠ গ্রেড পর্যন্ত চাকরিজীবীরা ঢাকাসহ সব সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় সদরে ৬৫ লাখ টাকা, জেলা সদরে ৫৫ লাখ ও অন্যসব এলাকায় ৪৫ লাখ টাকা ঋণ পাবেন। দশম থেকে ১৩তম গ্রেডের চাকরিজীবীরা পাবেন ঢাকাসহ সব সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় সদরের জন্য ৫৫ লাখ টাকা, জেলা সদরের জন্য ৪০ লাখ টাকা এবং অন্যসব এলাকায় ৩০ লাখ টাকা। এছাড়া ১৪তম থেকে ১৭তম গ্রেডের চাকরিজীবীরা পাবেন ঢাকাসহ সব সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় সদরে ৪০ লাখ টাকা, জেলা সদরে ৩০ লাখ টাকা ও অন্যসব এলাকায় ২৫ লাখ টাকা।
এক টুকরো মাংস না পাওয়া দু’ভাই এবার সবচেয়ে বড় গরুটি কোরবানি দিচ্ছে

এক টুকরো মাংস না পাওয়া দু’ভাই এবার সবচেয়ে বড় গরুটি কোরবানি দিচ্ছে

ফজলুর রহমান সরদার (৫৫)। যশোরের শার্শা উপজেলার শিয়ালকোনা গাতিপাড়া গ্রামের দীন আলি সরদারের ছেলে। তিন ভায়ের মধ্যে সে দ্বিতীয়। ছোট ভাই আলাদা সংসার করলেও তিনি ও তার বড় ভাই বাবলুর রহমান সরদারের এক সংসারেই বসবাস। এ বছর শার্শা উপজেলায় এককভাবে সবচেয়ে বড় গরু ও ছাগল কোরবানির জন্য প্রস্তুত করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন এই দুই ভাই। প্রতিদিন মানুষ এই গরু দেখতে ভিড় করছেন তাদের বাড়িতে।

স্মৃতিচারণ করে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ফজলুর রহমান বলেন, ‘১৯৯৬ সাল। আমরা দু’ভাই ভ্যান চালিয়ে কোনো রকম সংসার চালাতাম। ঈদের দিনও আমরা ভ্যান চালাইছি, না হলে চাল কেনা হতো না। ভ্যান চালিয়ে স্কুল মাঠে গেলাম মিসকিনের গোস্ত আনতে। কিন্তু দেরি হওয়ায় গোস্ত না দিয়ে মাতবররা আমাদের দুই ভাইকে মেরে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। ওই বছর সন্তানদের মুখে একটুকরো গোস্তও তুলে দিতি পারিনি।’

‘২২ বছর আগে কোরবানির গোস্ত না পেয়ে ফিরে এসে আল্লার কাছে কান্নাকাটি করে বলেছিলাম আগামী বছর যাতে আমরা কোরবানি দিতে পারি সেই ক্ষমতা আমাদের দিও। মহান আল্লাহ আমাদের কথা শুনেছেন। পরের বছর দুই ভাই ভ্যান চালিয়ে টাকা জমিয়ে একটা ছাগল কোরবানি দিয়েছিলাম। তারপর থেকে আল্লাহর রহমতে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। এখন প্রতিবছর কোরবানি দিই। চার-পাঁচ কেজি গোস্ত রেখে বাকি গোস্ত আত্মীয় স্বজন, প্রতিবেশী ও গ্রামবাসীর মধ্যে বিলিয়ে দিই’ বলছিলেন ফজলুর।

ফজলুর বলেন, এবার কোরবানির জন্য একটি গরু ও একটি ছাগল প্রস্তুত করেছি। গরুটির ১৬ থেকে ১৭ মণ আর ছাগলটির ৫০ কেজির মতো মাংস হবে।



এক বছর আগে কেনা গরুটিকে সন্তানের মতো লালন পালন করছেন ফজলুরের স্ত্রী আনিছা বেগম ও ভাবি কল্পনা বেগম।

কল্পনা বেগম বলেন, ‘এত বড় গরু বাইরি (বাইরে) বের করা যায় না। তাই গোয়াল ঘরের মধ্যে রেখেই পুষছি। প্রতিদিন গরুর গা (শরীর) ধুয়াই। খাবার দেই। ভালোই লাগে।’

একজন ভ্যানচালক হয়ে আজ তাদের উত্থানের পেছনের কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে ফজলুর বলেন, কুড়ি বছর আগে দুইভাই পরামর্শ করে সংসারে সুখ আনতে শেষ সম্বল জমিতে লাগানো গাছগুলো বিক্রি করি। ওই টাকা দিয়ে বড় ভাইকে মালায়েশিয়া পাঠাই। পরে বড় ভাই আমার বড় ছেলে নুরুন্নবীকেও মালায়েশিয়া নিয়ে যায়। এর পর থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। আল্লাহ আমাদের সব কিছু পূরণ করেছেন। আমরা এখন সুখি পরিবার।

ফজলুর বাড়িতে তাদের কোরবানির বড় গরু ও ছাগল দেখতে আসা নজরুল, আলামিন ও কুদ্দুস বলেন, উপজেলায় কোনো বছরই এত বড় গরু-ছাগল কোরবানির খবর শুনিনি। তাই এখানে দেখতে এসেছি।
সিলেটে ইকরা ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরস’র হজ্ব প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সিলেটে ইকরা ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরস’র হজ্ব প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ইকরা ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরস এর  হজ্জ  প্রশিক্ষণ কর্মশালা ২০১৮ অনুষ্টিত। শুক্রবার জেলা পরিষদ হল রুমে ইকরা ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরস এর ব্যবস্থপনা পরিচালক  মোঃ আব্দুল কাদিরের সভাপতিত্তে  এ কর্মশালা অনুষ্টিত হয় । এত হজ্জের করনিয় – বর্জনীয় ও শিক্ষা বিষয় বক্তব্য রাখেন  গোবিন্দনগর আলিয়া  মাদ্রাসার অধ্যক্ষ শাইখ আব্দুস ছালাম আল-মাদানী।

হজ্জের আহকাম ও ফজিলত নিয়ে বক্তব্য রাখেন বক্তব্য রাখেন হাজি কুদরত উল্লাহ জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব শাইখ সাঈদ বিন নরুজ্জামান আল মাদানী । ভিডিও চিত্র সহ প্রশিক্ষন প্রদান করেন বিশিষ্ট টিভি আলোচক মাসুম বিল্লাহ আল মাদানী । শুরুতে কোরআন তেলাওয়ত করেন মাওলঅনা আবু তৈয়ব।

আরো  উপস্তিত ছিলেন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা আফতাব উদ্দিন,হাফেজ আব্দুল আজিজ,মাওলানা সাব্বির আহমদ খাঁন, ইকরা ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরস এর  হজ্জ  পরিচালক আইনুল ইসলাম হাকিম প্রমুখ । এতে প্রায় কয়েশ হজ যাত্রী অংশ নেন ।
প্রাথমিকে ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

প্রাথমিকে ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট নিরসনে রাজস্বখাতভুক্ত নতুন করে আরও ১২ হাজার ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। পার্বত্য তিন জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান ব্যতীত এ দরখাস্ত আহ্বান করা হয়েছে। সোমবার এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই)। আগামী ১ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়ে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত চলবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চাকরিবিধি অনুযায়ী আবেদনের ক্ষেত্রে ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে এতে পুরুষদের জন্য স্নাতক বা সমমানের দ্বিতীয়/বিভাগ বা শ্রেণিতে পাশ থাকতে হবে। আর নারীদের জন্য উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম দ্বিতীয়/বিভাগ/সমমানে পাশ হতে হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে dpe.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন কার্যক্রম আগামী ১ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়ে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। আবেদন করার পর প্রার্থীকে পরীক্ষার ফি বাবদ অফেরতযোগ্য সার্ভিস চার্জসহ ১৬৬ টাকা ৫০ পয়সা যে কোনো টেলিটক মোবাইল নম্বর হতে এসএমএসের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ করতে হবে।

ডিপিই সূত্র জানায়, বর্তমানে সারা দেশে প্রায় ৬৪ হাজার ৮২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক শূন্য রয়েছে। এ কারণে নতুন করে রাজস্বখাতভুক্ত আরও ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পুরনো নিয়োগ বিধিমালা অনুসরণ করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। ফলে নারী আবেদনকারীদের ৬০ শতাংশ কোটায় এইচএসসি বা সমমান পাশ এবং পুরুষের জন্য ৪০ শতাংশ কোটায় স্নাতক বা সমমান পাশ রাখা হয়েছে।

ডিপিই’র মহাপরিচালক আবু হেনা মোস্তফা কামাল জাগো নিউজকে বলেন, নতুন করে রাজস্ব খাতে প্রায় ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে শিক্ষক নিয়োগের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, নতুন নিয়োগ বিধিমালার কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় পুরনো নিয়োগ বিধির আলোকে এই নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। সে অনুযায়ী আগের সব বিষয় বহাল থাকবে।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখতে ক্লিক করুন